জয়পুরহাট প্রতিনিধি।।জয়পুরহাটে এক যুবকের পুরুষাঙ্গ কর্তনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরষ্পর বিরোধী অভিযোগ পাওয়া গেলেও এখনো ঘটনার কারন উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। আজ শনিবার বিকালে কালাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হাসান জানান. এ ব্যাপারে তদন্ত চলমান রয়েছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত কারন জানা যাবে।
ওসি জানান এ নিয়ে পরস্পর বিরোধী অভিযোগ পাওয়া গেছে। কালাই উপজেলার পুনট পূর্বপাড়া গ্রামের এক গৃহবধূ গতকাল শুক্রবার রাতে রাতে থানায় এসে অভিযোগ করেন, একই রাতে ধর্ষণের চেষ্টার সময় তিনি আত্মরক্ষার্থে একই গ্রামের আলতাফ আলী ছেলে মেজবাউল ইসলামের (৩৫) লিঙ্গ কর্তন করেন।
ওই নারীর অভিযোগের বরাতে ওসি আরো বলেন, মেজবাউল প্রতিবেশী ওই গৃহবধুকে দীর্ঘদিন থেকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে গৃহবধুকে বাড়িতে একা পেয়ে তিনি জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় নিজেকে বাঁচাতে ওই গৃহবধু ব্লেড দিয়ে মেজবাউলের পুরুষাঙ্গ কর্তন করলে আহত মেজবাউল দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে ওই নারী কালাই থানায় মামলা দায়ের করার পর থেকে পুলিশী তদন্ত চলছে। তদন্দকালে জানা গেছে, গুরুতর আহত যুবক মেজবাউলকে তার স্বজনরা প্রথমে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে বগুড়া শজিমেকে এবং শেষে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছেন।
তবে নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক আহত মেজবাউলের স্বজনরা পাল্টা অভিযোগে জানান, অনেক আগে থেকেই ওই নারীর সাথে মেজবাউলের অনৈতিক সম্পর্ক চলে আসছিল, পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তার স্বামীর নির্দেশ মত পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মেজবাউলকে ডেকে এনে ব্লেড দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কর্তন করা হয়েছে।
তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান ওসি জাহিদ হোসেন।